রং-বেরঙের লিপস্টিক

ঠোঁট সাজাতে লিপস্টিকের বিকল্প নেই। এই লিপস্টিকের রয়েছে নানা রঙ। সময় যাই চলুক না কেন, লাল লিপস্টিক সব সময় থাকে। কিছুদিন লাল, কমলা আর গোলাপির মতো উজ্জ্বল রঙগুলো খুব চলছিল। এগুলোর পাশাপাশি এখন চলছে ব্রাউন, মেরুন, কফি টোনের লিপস্টিক। পিংক লিপ খুব জনপ্রিয় ছিল এইতো কদিন আগেই। এখন পিংকের জায়গায় ব্রাউন স্থান করে নিয়েছে। গাঢ় রংগুলো তো চলছেই, তবে সাজতে পছন্দ করেন এমন সবাই সংগ্রহে রাখছেন ত্বকের সঙ্গে মানানসই ন্যুড রঙের লিপস্টিক।

ন্যুড লিপস্টিক পরার পর যদি আপনার সাজ খুব ফ্যাকাসে লাগে, তাহলে বুঝবেন আপনার শেডটি ত্বকের রঙের চেয়ে বেশি হালকা। সে ক্ষেত্রে ত্বকের রঙের চেয়ে ডিপ লিপস্টিক বাছাই করুন।

ন্যুড লিপ যেমন যেকোনো পোশাক, সময় ও বয়সভেদে মানানসই ঠিক তেমনি বর্ণ-নির্বিশেষে যেকোনো সাজের সঙ্গেও মানানসই। তাই ন্যুড লিপ এখনকার সবচেয়ে আলোড়িত ট্রেন্ড। ন্যুড লিপস্টিক মানে কিন্তু একটা রঙ নয়। এর মধ্যে রয়েছে রঙের ভিন্নতা। গোলাপি, লালচে, বাদামি, পিচ, কফি ইত্যাদি নানা রঙের আভায় ন্যুড লিপস্টিক অগণিত।

লিপস্টিকের অনেক ব্র্যান্ড রয়েছে। জনপ্রিয় ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে আছে ম্যাক, লরিয়েল, রেভলন, জর্ডানা, ল্যাকমি, জ্যাকলিন, ফ্লোমার, গোল্ডেন রোজ, মেবলিন ইত্যাদি। ব্র্যান্ডের মতোই গুরুত্বপূর্ণ আপনার গায়ের রঙের সঙ্গে বা আপনার মুখের সঙ্গে কোন লিপস্টিক মানানসই, তা বেছে নিতে পারা। লিপস্টিক বাছাই করার আগে ত্বকের রঙের দিকে খেয়াল রাখুন।

রেড এবং যে কোনো গাঢ় রঙের লিপস্টিক ফর্সা ত্বকের জন্য অসাধারণ। আপনার ত্বকের রঙ হলুদাভ হলে উষ্ণ বাদামি, কোরাল আর পিচ রঙগুলো খুব সহজেই মানিয়ে যাবে। জলপাই বর্ণের ত্বকের জন্য লাইট পিংক, অরেঞ্জ, ক্যারামেল শেডের লিপস্টিকগুলো মানানসই। আর গাঢ় বর্ণের ত্বকের সঙ্গে ব্রোঞ্জ, ডিপ প্লাম, বেরি, ক্যারামেল শেডের লিপস্টিক মানিয়ে যায়।

ঠোঁটের রঙের সঙ্গে অথবা লিপস্টিকের রঙের সঙ্গে মিলিয়ে লিপ লাইনার পরুন, তারপর পছন্দের লিপস্টিকটি দিন। তাতে করে লিপস্টিকের স্থায়িত্ব বাড়বে তেমনি আপনার ঠোঁটের রং আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে। লিপগ্লসের ব্যবহারে একেবারে অনভ্যস্ত না হলে একটু গ্লসের ছোঁয়া লাগিয়ে নিতে ভুলবেন না।

Comments

comments