সিএমএম আদালতে খালেদাকে গ্রেফতারে পরোয়ানা

মানহানির অভিযোগে করা মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (১২ অক্টোবর) ঢাকার মহানগর হাকিম নূর নবী এ আদেশ দেন। মামলার বাদী এ বি সিদ্দিক গণমাধ্যমকে বিষয়টি জানিয়েছেন।

চলতি বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি তেজগাঁও থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এ বি এম মশিউর রহমান খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মামলার প্রতিবেদন দাখিল করেন।

২০১৬ সালের ৩ নভেম্বর বাংলাদেশ জননেত্রী পরিষদের সভাপতি এ বি সিদ্দিক স্বীকৃত স্বাধীনতাবিরোধীদের গাড়িতে জাতীয় পতাকা তুলে দিয়ে দেশের মানচিত্র এবং জাতীয় পতাকার মানহানি ঘটানোর অভিযোগে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) আদালতে একটি মানহানির মামলা করেন।

ওই দিন ঢাকা মহানগর হাকিম রায়হানুল ইসলাম তেজগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) মামলা তদন্তের নির্দেশ দেন। মামলায় খালেদা জিয়া এবং তার স্বামী, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে আসামি করা হয়।

এর আগে গত ৯ অক্টোর কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার নোয়াবাজার এলাকায় বাসে পেট্রলবোমা হামলার মামলায় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়। কুমিল্লার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারিক জেসমিন বেগম এ পরোয়ানা জারি করেন।

ওই মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ২০১৫ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি ভোরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে চৌদ্দগ্রামের নোয়াবাজার এলাকায় ইউনিক পরিবহনের একটি বাসে পেট্রলবোমা হামলায় আটজন নিহত হন। আহত হন আরও ২০ জন।

এ ঘটনায় চৌদ্দগ্রামে জামায়াতে ইসলামীর সাবেক সংসদ সদস্য ডা. আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরকে প্রধান আসামি করে ৫৬ জনের নাম উল্লেখ করে ও ২০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে ওই থানায় মামলা করে পুলিশ। সেই মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ দলটির শীর্ষস্থানীয় ছয় নেতাকে হুকুমের আসামি করা হয়।

চলতি বছরের ৬ মার্চ খালেদা জিয়াসহ ৭৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে চৌদ্দগ্রাম থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. ইব্রাহিম।